এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো বিভিন্ন প্রোডাক্ট প্রমোট করে আয়ের এক অসাধারণ উপায়। এরপর ও অনেকেরই এই প্রশ্ন থাকতে পারে যে কেন আমি এফিলিয়েট মার্কেটিং করবো!

 

তাদের জন্য আমার এই ছোট্ট পোস্টটি।

 

আসলে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর পক্ষে যুক্তি দেখালে তার লিস্ট এতো লম্বা হবে যে তা গুনে শেষ করা যাবে না, তাই আমি শুধু উল্লেখযোগ্য কিছু কারণ পেশ করছি যার জন্য আপনার এফিলিয়েট মার্কেটিং করা উচিত।

 

কারণগুলো নিম্নরূপ –

১. এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে কোনো ইনভেস্ট করার দরকার হয় না
২. কোনো নিজস্ব প্রোডাক্ট থাকার দরকার হয় না
৩. পছন্দমতো প্রোডাক্ট প্রমোট করা যায়
৪. ঘরে বসে কাজ করা যায়
৫. প্রোডাক্টের আফটার সেলস সার্ভিস নিয়ে কোনো চিন্তা করতে হয় না
৬. ফুলটাইম ক্যারিয়ার গড়া যায়
৭. নিজেই নিজের বস হওয়া যায়
৮. সময়ের স্বাধীনতা থাকে
৯. তাই যেকোনো সময় ভ্রমণে যাওয়া যায়
১০. বিভিন্ন কোম্পানির কাছে যথেষ্ট কদর পাওয়া যায়

 

তো ওপরের সবকটি যুক্তিই কিন্তু পুরোপুরি সত্যি।

 

আসলেই এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে কোনো খরচ করতে হয় না। বিভিন্ন এফিলিয়েট প্রোগ্রামে সম্পূর্ণ বিনাপয়সায় অংশগ্রহণ করা যায়।

 

তবে পূর্ণাঙ্গরূপে এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে ভালো আয় করতে চাইলে নিজস্ব একটি ওয়েবসাইট থাকা জরুরি আর এটিই আপনার মূল খরচ।

 

উল্লেখ্য যে আপনার ওয়েবসাইট থেকে যে শুধু এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন তা কিন্তু নয়। চাইলেই আপনি আপনার ওয়েবসাইট থেকে নানাভাবে আয় করতে পারেন।

 

একটি ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্নভাবে আয়ের সকল পদ্ধতি আমার এই সাইটেই আছে। তাই কোনো চিন্তা করবেন না।

 

এছাড়া আপনার যদি নিজস্ব একটি ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটার না থাকে তবে সেটা কেনো হবে আরেকটি ইনভেস্টমেন্ট।

 

অনেকেই বলেন যে স্মার্টফোনের মাদ্ধমে কি এফিলিয়েট মার্কেটিং করা যায়?

 

হ্যা করা যায়, তবে আপনি আপনার সাইটটি পুরোপুরি কন্ট্রোল করতে গেলে একটি কম্পিউটার ব্যবহার করা উচিত। এর কারণ হলো ওয়ার্ডপ্রেসের যে মোবাইল এপসটি আছে তাতে যথেষ্ট ল্যাকিং আছে।

 

তো এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো নিজেই নিজের বস হবার এক অনন্য উপায়।

 

স্বাধীনচেতা যেকোনো কেউই এর সাহায্যে এক অনাবিল সুন্দর ক্যারিয়ারের দিকে এগোতে পারেন।

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং করার পেছনে অজস্র লজিক আছে, তবে আমি এই কোর্সের এখানে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর প্রধান কিছু সুবিধা নিয়ে আলোচনা করবো।

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং করার পেছনে প্রথম কারন হল এটি সম্পূর্ণই প্যাসিভ ইনকাম মডেল আর প্যাসিভ ইনকাম মানে হল যে ইনকাম করতে গেলে আপনাকে সরাসরি প্রতিটি মুহূর্ত আপনার ব্যবসার সাথে লেগে থাকতে হবে না।

 

প্যাসিভ ইনকামঃ সময়, অর্থ, ও ভ্রমণের স্বাধীনতা দেয়

যেহেতু এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে অলটাইম একটি ধরাবাঁধা রুটিন মেনে কাজ করতে হয়না, তাই একজন এফিলিয়েট মার্কেটার সময়ের পুরনাঙ্গ স্বাধীনতা পেতে পারেন। ধরেন আপনার কোন বিয়ে বা অন্য কোন ইনভাইটেশন আসলো তখন আপনি তাতে আপনার মর্জিমাফিক এটেন্ড করতে পারবেন।

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং এ অর্থের ও স্বাধীনতা পাওয়া যায় কারন এ ব্যবসাটি একবার ভালমত দাঁড়িয়ে গেলে আপনাকে আর আয় নিয়ে চিন্তা করতে হবে না, দেখবেন যে বিভিন্ন সময়ে এফিলিয়েট কমিশন আপনার একাউন্টে জমা হচ্ছে।

 

এই যেমন দেখুন আমি কয়েক ঘন্টার মধ্যে নিচের এফিলিয়েট কমিশনটি পেলামঃ

আর যেহেতু সময় ও অর্থের স্বাধীনতা পাওয়া যায়, তাই এ থেকে ভ্রমণেরও ব্যাপক সুবিধা আছে। এই যেমন আমি কয়েক মাস আগে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে ঘুরে এলাম আর কিছুদিন বাদেই যাব কক্সেসবাজার সমুদ্র সৈকতে।

 

এফিলিয়েট মার্কেটিং ছাড়া অন্য কোন পেশাতে এতটা ফ্লেক্সিবিলিটি নেই।

 

আর শেষ কথাটি না বললেই নয় সেটি হল এ কাজে নিজেই নিজের বস হওয়া যায় ফলে কখন কোন কাজ করবেন না করবেন তার ডিসিশন আপনি নিজেই নিতে পারবেন।

 

তো বন্ধুরা উপরোক্ত সুবিধাগুলো খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন যে এফিলিয়েট মার্কেটিং আসলে কতটা আনন্দময় একটি পেশা।

 

তবে আবারো সতর্ক করে দেই কারন এর শুরুতে প্রচন্ড খাটাখাটনি করতে হবে, তা না হলে সুখের দেখা কখনই পাবেন না।

 

আমার চেনা এমন অনেকে আছেন যাদের এফিলিয়েট মার্কেটিং এ হাতেখড়ি আমার হাত ধরেই হয়েছিল, কিন্তু এমন সময়ে তারা এ কাজটি ছেড়ে দেন যে আর মাত্র কয়েকটা দিন কস্ট করলেই কিন্তু তারা রেজাল্ট পেয়ে যেতেন।

 

এমন অনেককে অনেক বুঝিয়ে বললেও তাদের সেদিকে কোন খেয়াল দেখিনা।

 

আসলে আমাদের দেশের অধিকাংশের মানসিকতা হল এক টাকা পেলে আজই পেতে হবে, ১০০ টাকা পাওয়ার জন্য ১০ দিন অপেক্ষা করতে পারবো না।

 

তো আমার সাইটে ভিজিট করে নিত্য-নতুন কন্টেন্ট থেকে আপনার আয় শুরু করুন ও তা বাড়াতে থাকুন।

 

ভালো থাকবেন