রেস্টুরেন্টের আয় বাড়াতে হলে এই গাইডটি অনুসরণ করতেই হবে!

একটি রেস্টুরেন্ট ঠিকঠাকভাবে পরিচালনা করতে পারলে তা থেকে কত লাভ হতে পারে তা সম্পর্কে একজন রেস্টুরেন্ট মালিক বা ম্যানেজার হিসেবে আপনার থেকে ভালো হয়তো আর কেই জানে না।

আসলে একটি রেস্টুরেন্ট দিয়েই কয়েক বছরের মধ্যে কোটিপতি হওয়া যায় যদি আপনি সঠিক পথে চলেন।

 

হয়তোবা কোটিপতি হবার স্বপ্ন থেকেই আপনি রেস্টুরেন্ট ব্যবসা শুরু করেছিলেন, কিন্তু বাস্তবে যখন ব্যবসায় নামলেন, তখন দেখলেন নানা রকম ঝক্কি ঝামেলা যা থেকে আপনার স্বপ্ন দিনে দিনে ফিকে হয়ে যাচ্ছে!

 

যাই হোক নিজেকে অনেকটাই ভাগ্যবান মনে করুন এই ভেবে যে আপনি এমন একটি গাইড পড়া শুরু করেছেন যার মাদ্ধমে আগামী ৬ মাসের মধ্যে আপনার রেস্টুরেন্টের লাভ কয়েকগুন বাড়াতে পারবেন।

 

তাই গাইডটি মনযোগ দিয়ে শেষপর্যন্ত পড়ুন ও এখনই এটি বুকমার্ক করে রাখুন যাতে বার বার গাইডটি অনুসরণ করে আপনার রেস্টুরেন্টে অগণিত ভোজনরসিক মানুষকে নিয়ে আসতে পারেন।

 

তাহলে একে একে জেনে নেয়া যাক রেস্টুরেন্ট থেকে আয় বৃদ্ধির উপায় সমূহ।

 

রেস্টুরেন্টের লাভ বৃদ্ধির উপায়সমূহ!

এখন আমি একে একে আপনার রেস্টুরেন্টের লাভ বাড়ানোর কৌশলগুলো দেখাতে থাকবো।

 

আপনি কৌশলগুলো কাজে লাগিয়ে আপনার রেস্টুরেন্টের লাভ নিমিষেই বাড়াতে পারেন।

 

উল্লেখ্য! গাইডটির শেষের দিকে পাবেন নতুন নতুন কাস্টমার পাওয়ার অসাধারণ কিছু ডিজিটাল মার্কেটিং টেকনিকস যা ব্যবহারে আপনার রেস্টুরেন্ট খুব দ্রুত হিট হতে বাধ্য।

 

আর ১ টি টেকনিক ও ব্যবহার করতে বাদ দেবেন না, তাহলে আপনার রেস্টুরেন্ট ও হবে অনন্য এক খাবার জায়গা যেখানে মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়বে।

 

স্টাফদের ড্রেসকোড

অনেক রেস্টুরেন্ট এটি মেনে চললেও অধিকাংশ রেস্টুরেন্ট এর স্টাফদের নির্দিষ্ট কোন ইউনিফর্ম থাকে না।

 

এতে রেস্টুরেন্টে আগত কাস্টমারদের বুঝতে সমস্যা হয় যে কে ওয়েটার বা কে কাস্টমার।

 

তো আপনার রেস্টুরেন্টের স্টাফদের যদি কোন নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম না থাকে, তবে আজই আপনার রেস্টুরেন্টের লোগো সম্বলিত ড্রেস অর্ডার করুন।

 

খরচ নিয়ে চিন্তা করবেন না কারণ এটি আপনার রেস্টুরেন্টের একটি ইনভেস্টমেন্ট যার মাদ্ধমে আপনার রেস্টুরেন্টির মান অনেক বেড়ে যাবে।

 

ট্রেইন্ড স্টাফ

আপনার স্টাফদের নিয়মিত ট্রেইনিং দিতে হবে।

তো ট্রেইনিংটি কেমন হবে?

 

স্টাফরা রেস্টুরেন্টে আসার শুরুতেই তাদেরকে একটি শপথ পাঠ করান যেখানে আপনার রেস্টুরেন্টটি দিনে দিনে উন্নয়ন করার কথা থাকবে।

 

তাদেরকে হাসিমুখে মার্জিতভাবে কথা বলা শেখাতে হবে।

 

অনেকেই বার বার স্যার কথাটি শুনতে চান, তাই তাদেরকে শেখান তারা যেন আপনার রেস্টুরেন্টে আগত প্রত্যেকটি ব্যক্তিকে বারে বারে স্যার বলে সম্মোধন করে।

 

একইভাবে মেয়েদের ম্যাম বলে সম্মোধন করার শিক্ষা দিন।

 

অধৈর্য্য না হওয়া ও কাস্টমারদের খাবার সার্ভ করে যে ওয়েটাররা খুশি হচ্ছে তা প্রকাশ করা শেখান।

 

অধিকাংশ কাস্টমার চান যে তারা যেন পরিচিত কোন জায়গায় যায়, তাই আপনার স্টাফদের বলুন তারা যেন কাস্টমারদের ফেস চিনে রাখার চেষ্টা করে ও পূর্বের কাস্টমাররা আসলে যেন অবশ্যই তাদের কেমন আছেন ইত্যাদি জিজ্ঞেস করে।

 

গ্রিটিংস

মনে রাখবেন “first impression is the last impression“.

 

তাই এক্ষেত্রে আপনার রেস্টুরেন্টের অতিথিরা যেন প্রথমেই একটি সুন্দর আমন্ত্রণ পান সেদিকে খেয়াল রাখুন। এজন্য সবথেকে ভাল হয় যদি আপনি একজনকে শুধুমাত্র আমন্ত্রন জানাবার জন্য আপনার রেস্টুরেন্টের সদর দরজায় রেখে দেন।

 

আপনি হয়ত ভাবছেন যে একজনকে শুধুমাত্র আমন্ত্রনের জন্য রেখে বেহুদা টাকা নস্ট করব কেন! আসলে আপনি এর ফলাফল লংটার্মে বুঝতে পারবেন।

 

এক্সক্লুসিভ ফুড মেনু

অনেকসময় দেখা যায় যে আপনার খাবার ভাল হবার পরও ক্রেতারা সেভাবে অর্ডার করছে না। এক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন আপনার ফুডমেনুটি যেন খুবই সুন্দর হয়।

খাবারসমূহের নামের পাশেই বড় করে সেই খাবারগুলোর রিয়েল পিকচার দিন যাতে করে ক্রেতারা খাবারটি সম্পর্কে ভালভাবে ধারণা পেতে পারে।

 

পড়ার কিছু দেওয়া

এই কাজ অধিকাংশ রেস্টুরেন্টই করে না। কিন্তু আপনি যদি আপনার কাস্টমারকে শুধু শুধু বসিয়ে না রেখে তার পছন্দের কিছু পড়তে দেন, তবে তার কাছে খাবার হতে যে সময় লাগবে সে সময়টা বোরিং লাগবে না।

আবার একই সাথে আপনাদের এতসব আয়োজন দেখে তারা বারে বারে আপনার রেস্টুরেন্টে আসতে চাইবে।

 

বাচ্চাদের খেলার ব্যবস্থা রাখা

আপনার রেস্টুরেন্টের সাইজ কিছুটা বড় হলে সেখানে বাচ্চাদের খেলার জন্য কিছু রাখুন যাতে করে তাদের বাবা-মায়েরা সাচ্ছন্দে সময় কাটাতে পারে।

 

আপনি যত সুযোগ করে দেবেন, আপনার কাস্টমাররা ততো বেশি আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রতি এট্রাক্টেড হবে।

 

XYZ ষ্টার

এখানে XYZ দারা আপনার রেস্টুরেন্টের নাম বোঝানো হয়েছে। এটি করবেন আপনার স্টাফদের কাজের প্রতি আরো বেশি মনযোগী করতে কারন এতে তারা তাদের বেস্টটাই দেবার চেস্টা করবে।

 

আপনি যদি একটি ব্যানার টাইপের করে বেস্ট স্টাফ অফ দি মানথ এরকম কিছু সামনে তুলে ধরেন, তবে দেখবেন যে আপনার স্টাফরা সানন্দে কাজ করছে পরবর্তী মাসের বিজয়ী হবার জন্য।

 

মাসের সেরা স্টাফ নিরবাচনের ক্ষেত্রে আপনার কাস্টমারদের কাছে রেটিং নেবার একটি সিস্টেম চালু করুন।

 

আর প্রতি মাসের বেস্ট স্টাফকে কিছু দিয়ে পুরুস্ক্রিত করুন। এতে তারা আরও উদ্দ্যমে কাজ করে যাবে।

 

রেস্টুরেন্টের বাইরে বা রুফটপে খাবার ব্যবস্থা

অনেকেই আবদ্ধ যায়গায় খাবার খেতে পছন্দ করেন না আর তাদের কথা মাথায় রেখে আপনি আপনার রেস্টুরেন্টের সামনে বা রুফটপে বা উভয়স্থানে খাবার খাওয়ার ব্যবস্থা রাখতে পারেন।

এতে করে আপনার রেস্টুরেন্টের পাব্লিছিটিও বেড়ে যাবে বহুগুনে।

 

রিজার্ভেশন সিস্টেম

আপনার রেস্টুরেন্টের একটি লম্বা ডাইনিং টেবিল বা একটি স্পেছিফিক জায়গা রিজার্ভেশনের আওতায় নিয়ে আসতে পারেন।

 

এতে করে আপনি অনেক অগ্রিম বুকিং পাবেন।

 

কিছু আইটেমের ক্ষেত্রে বুফে সিস্টেম

মানুষ চায় একটু ভিন্ন কিছু করতে। তাই আপনি কিছু  খাবার আইটেমে বুফে সিস্টেম চালু করতে পারেন। দেখবেন যে অনেকেই আপনার এই অফারটি মিস করতে চাইবে না।

 

ফ্রি WiFi

আজকালকার দিনে নেট ছাড়া যেন মানুষ থাকতেই পারে না, তাই আপনার রেস্টুরেন্টে অলওয়েস ওয়াইফাই এর ব্যবস্থা রাখুন।

 

ফটোশুটিং ফ্যাসিলিটি

আপনার রেস্টুরেন্টের কিছুটা জায়গা ছবি তোলার জন্য রাখুন। একই সাথে DSLR ক্যামেরার সাহাজ্য ছবি তোলার ব্যবস্থা করুন। এতে করে আপনি ভ্যারিয়েশন নিয়ে আসতে পারছেন, আবার আয়ও বাড়াতে পারছেন।

 

বাচ্চাদের নামধাম জিজ্ঞাসা করা ও কানেকশন সৃষ্টি করা

প্রত্যেক বাবা-মা তাদের সন্তান্দের ব্যপারে সচেতন, তাই কে তাদেরকে আদর করছে বা কথা বলছে সেটা তারা মনের অজান্তেই কাউন্ট করে।

 

তো আপনার স্টাফদের শিখিয়ে দিন তারা যেন ছোট বাচ্চাদের নাম-ধাম ইত্যাদি জিজ্ঞেস করে ও তাদের সাথে একটি সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তোলে। এতে করে বাচ্চা ও তাদের বাবা-মা উভয়েই আপনার রেস্টুরেন্টে আসার জন্য মুখিয়ে থাকবে।

 

বাচ্চাদের জন্য ছোটোখাটো গিফটের ব্যবস্থা

আর যদি তাদের জন্য কিছু গিফটের ব্যবস্থা রাখতে পারেন, তবে তো আর কথাই নেই। একটি মাত্র ছোট চকলেট ও আপনার ক্রেতাদের মন কেড়ে নিতে পারে।

 

সবসময় কিছু ভিন্ন মাত্রা যোগ করা

আপনার ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণে সবসময় ভিন্ন কিছু করতে হবে। আর ১০ টা রেস্টুরেন্টের মতই যদি আপনার রেস্টুরেন্টটি চলে, তবে আপনাকে আপনার ক্রেতারা আলাদাভাবে চিনবে কি করে?

 

কমপ্লেইন বক্স রাখা ও তা কাস্টমারদের স্মরণ করিয়ে দেয়া

আপনার রেস্টুরেন্টে অবশ্যই কিছু কমপ্লেইন বক্স রাখা ও তা আপনার কাস্টমারদের স্মরন করিয়ে দেওয়া উচিত। এতে করে তারা তাদের প্রতি আপনার সজাগ খেয়াল দেখে খুশি হবে।

 

কাস্টমাররা সবসময় ঠিক এটা মেনে নেওয়া

কাস্টমারদের সাথে কখনোই তর্কে জড়ানো যাবে না। তাদেরকে ঠিক ধরে নিয়েই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও তা হাইলাইট করা

কেউই নোংরা খাবার খেতে চাননা, তাই আপনি এ ব্যপারে সবসময় খেয়াল রাখুন। আপনার কিচেনের পরিবেশ কেমন তা তাদের সামনে তুলে ধ্রুন।

এতে করে তাদের আপনার খাবারের প্রতি আস্থা আসবে।

 

আপনার কুকদের পলিথিনের গ্লাভস ও হ্যাট ব্যবহার করতে দিন ও তা সরাসরি সি সি ক্যামেরার মাদ্ধমে আপনার কাস্টমারদের দেখান। এতে করে আপনি আপনার কুকদের কাজ ও মনিটরিং করতে পারবেন, আবার আপনার ক্রেতারাও অনেক সস্তি পাবেন এই ভেবে যে তারা অনেক পরিচ্ছন্ন খাবার খাচ্ছেন।

 

বিভিন্ন অফার দেওয়া

আপনার প্রত্যেকটি কাস্টমারকে গননা করে রাখুন আর এর জন্য তাদেরকে একটি ইউনিক কোড দিন। তাদের ফেসবুক আইডি সংগ্রহ করার চেস্টা করুন যাতে আপনি তাদেরকে নিয়মিত আপনার খাবারসমূহের আপডেট জানাতে পারেন।

 

যারা আপনার নিয়মিত কাস্টমার, তাদের জন্য বিভিন্ন কুপন, লয়্যাল বা এলিট মেম্বারশিপ কার্ড এর ব্যবস্থা রাখুন।

 

বিভিন্ন রকম অফার এই যেমন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ১০% ছাড় বা একই মাসে চারবারের বেশি আসলে ৪০% ছাড় ইত্যাদি অফারগুলো অনেক ফিরতি কাস্টমার বানাতে সাহাজ্য করবে।

 

বিভিন্ন কম্বো প্যাক ও ছোট সাইজের ব্যবস্থা রাখুন। এই যেমন ছোট বারগার বা পিজার ব্যবস্থা রাখুন। বড় সাইজের খাবারের পাশাপাশি এই ছোট সাইজের খাবারগুলো ও বেশ চলবে।

 

হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা

আপনার খাবারসমূহ হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা রাখুন। এতে করে অনেক অর্ডার বাড়বে।

 

স্পেশাল লাঞ্চ প্যাক সরবরাহ

আপনার রেস্টুরেন্টটি যদি এমন কোথাও হয় যেখানে অনেক অফিস বা দোকান আছে, তবে অফিসের ও দোকানের ইমপ্লয়ীদের স্পেশাল লাঞ্চ প্যাকের ব্যবস্থা করুন ও মাসব্যাপী অর্ডার নেবার চেস্টা করুন।

 

ফিডব্যাক নেওয়া

আপনার রেস্টুরেন্টে আগত ক্রেতাদের খাওয়া-দাওয়া শেষে আপনার খাবার ও স্টাফদের ব্যবহার সম্পর্কে অবশ্যই তাদের মতামত নিন।

 

এতে করে তারা আপনার সম্পর্কে একটা উচ্চ ধারণা পোষন করবে যা আপনার রেস্টুরেন্টের জন্য সুফল বয়ে আনবে।

 

লাইভ ফেইসবুক রিভিউ

আর তাদের মতামতটা একটা লাইভ ফেসবুক রিভিউয়ের মাদ্ধমেও নিতে পারেন।

 

সুন্দর করে বিদায় জানানো

সুন্দর একটা বিদায় আপনার ক্রেতাদের মন ভাল করে দিতে যথেস্ট, তাই আবার আসবেন বা থ্যাঙ্কস না দিয়ে বলুন যে আপনার জীবন ভাল কাটুক, আপনি আরও উন্নতি করেন ইত্যাদি ইত্যাদি যা তার মনে একটি আলাদা জায়গা করে নিতে সাহায্য করবে।

 

একটা অফার সম্বলিত হ্যান্ডবিল দিয়ে দেওয়া

আর খালি হাতে বিদায় না দিয়ে একটি হ্যান্ডবিল দিয়ে দিন যাতে আপনার রেস্টুরেন্টের বিভিন্ন অফার দেওয়া থাকবে। দেখবেন যে অনেকেই আপনার রেস্টুরেন্টে আসার পরবরতী দিন ও ফিক্সড করে ফেলবে।

 

বিজিনেস ওয়েবসাইট

ডিজিটাল এই যুগে এখনো অনেক রেস্টুরেন্টের নিজের কোন ওয়েবসাইট নেই অথচ একটি ওয়েবসাইটের মাদ্ধমে আপনার রেস্টুরেন্টে অজস্র লোক নিয়ে আসা যায়!

 

আর একটি ওয়েবসাইটের খরচ খুবই সামান্য, তাই আজই আপনার রেস্টুরেন্টের জন্য একটি ওয়েবসাইট খুলে ফেলুন।

 

একই সাথে একটি ওয়েবসাইট খোলাও কিন্তু একেবারে সহজ যেটা নিচের গাইড থেকে শিখে নিনঃ

মাত্র ১৫ মিনিটে কিভাবে নিজের একটি ওয়েবসাইট বানাবেন (কোন কোডিং ছাড়াই)?

 

তো উক্ত গাইড থেকে আপনার রেস্টুরেন্টের সাইটটি খুলুন ও পরবর্তী ধাপগুলো ফলো করুন।

 

গরজিয়াস ব্র্যান্ড লোগো

অনেক রেস্টুরেন্টের মালিকই তার রেস্টুরেন্টের জন্য একটি সুন্দর লোগো তৈরি করার প্রতি গুরুত্ত দেন না। কিন্তু একটি লোগো আপনার ব্রান্ডকে আর ও বেশি পরিচিত করতে পারে।

 

আপনার লোগোর অর্ডার আপনি Fiverr এর লোগো ডিজাইনিং সেকশনে দিতে পারেন।

 

আকর্ষণীয় কনটেন্ট তৈরী

এবার আপনার সাইটে আপনার খাবারের ওপর বিভিন্ন পোস্ট ও ভিডিও পাব্লিশ করুন। আপনার কন্টেন্টগুলো আকর্ষণীয় করে তুলুন।

 

ফেইসবুক পেইজ তৈরী

আপনার রেস্টুরেন্টের নামে একটি ফেসবুক পেইজ খুলুন যদি তা না খোলা থাকে।

 

কনটেন্ট ফেইসবুক পেইজে শেয়ার

এবার আপনার সাইটের পোস্ট ও ভিডিওগুলি আপনার ফেসবুক পেইজে শেয়ার করুন।

 

ফেইসবুক বুস্টিং

তারপর আপনার সাইটের পোস্টগুলি ফেসবুক পেইজে বুস্ট করুন। মাত্র ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা খরচে আপনি ৮০০০ থেকে ১০০০০ লোকের কাছে আপনার খাবার সম্পর্কে জানাতে পারবেন।

 

ভেবে দেখুন এদের অনেকেই আপনার রেস্টুরেন্টে খেতে আসবে, ফলে আপনার রেস্টুরেন্টের পরিচিতি দিনে দিনে বেড়েই যাবে।

 

গুগল এডস

একইভাবে আপনার রেস্টুরেন্টের সাইটটির লিঙ্ক গুগল এডস এ দিন ও তা প্রোমোট করুন।

 

অনলাইনে অর্ডারের ব্যবস্থা করা

অনলাইনে বিক্রি শুরু করুন আর এটা করতে গেলে আপনার ওয়েবসাইটটি আপনাকে ব্যাপকভাবে সাহায্য করবে। আপনার সাইটেই অনলাইন অর্ডারের ব্যপারে উল্লেখ করুন।

 

সুস্বাদু খাবার পরিবেশন

শেষেরদিকে আপনার রেস্টুরেন্টের খাবারের প্রতি যত্নশীল হবার ব্যপারে কিছু কথা বলছি। হ্যা, আপনার খাবারগুলো অবশ্যই টেস্টি হতে হবে তা না হলে বিভিন্নভাবে আপনার রেস্টুরেন্টে আনা ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নেবে।

 

সুন্দর ডেকোরেশন

টেস্টি খাবারের পাশাপাশি মানুষ চায় একটু সুন্দর পরিবেশে বসে খেতে। তো আপনার রেস্টুরেন্টের ডেকোরেশনের দিকেও নজর দিন ও তা উন্নত করুন।

 

ফ্যান ক্লাব তৈরী

আপনার রেস্টুরেন্টের একটি ফ্যান ক্লাব তৈরি করুন আর এজন্য একটি ফেসবুক গ্রুপ খুলে তাতে নিয়মিত মেম্বার এড করতে থাকুন। দিনে দিনে তা অনেক বিস্তৃত হয়ে যাবে।

 

অহংকারী না হয়ে যাওয়া

আপনার ব্যবসার লাভ বাড়ার সাথে সাথে কখনোই অহংকারী হয়ে যাবেন না যেন! এটি আপনার আয় কমিয়ে দিতে বিরাট ভূমিকা রাখবে তাই সাবধান।

 

নতুন নতুন আইডিয়া বের করতে থাকুন (R & D)

আর আপনার রেস্টুরেন্ট এর উন্নয়নের জন্য নিত্ত-নতুন চিন্তা করতে থাকুন।

 

পরিশেষে!

তো আপনি সবগুলো ধাপ একে একে পালন করা শুরু করুন, দেখবেন যে খুব অল্প সময়ের মদ্ধেই আপনার রেস্টুরেন্টের লাভ বহুগুনে বেড়ে গিয়েছে।

 

তবে এটি একজন আধুনিক রেস্টুরেন্ট মালিকের পক্ষেই সম্ভব। আপনি যদি ট্রেডিশনাল চিন্তাধারার লোক হন, তবে ভাববেন যে আপনাকে হয়তো কেউ জ্ঞান দিতে এসেছে।

 

তো আমার দেওয়া এডভাইসগুলো ঠিকঠাকমত পালন করে নিজেকে রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে যান।

 

ভাল থাকবেন ও ফল পেলে আমাকে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না কিন্তু।

 

কোন প্রশ্ন থাকলে তা অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন।

Leave a Reply