ব্লগ থেকে কিভাবে আয় করা যায়

আপনাদের মাঝে আমি আবার হাজির হয়ে গেলাম। কেমন আছেন সবাই? নিশ্চয়ই ভাল আছেন। ভাল তো থাকতেই হবে। তা না হলে যে আমিও ভাল থাকবো না। কারণ আপনাদের জন্যই তো আমার এই সামান্য প্রচেষ্টা। আর সেই আপনারাই যদি ভাল না থাকেন, তাহলে যে আমার প্রচেষ্টা বৃথা হয়ে যাবে।

 

অনেক কথা বলে ফেললাম। এবার আজকের টপিক্সের দিকে যাই। ব্লগ থেকে কিভাবে আয় করা যায়? জ্বি ভাই, আমি এই উত্তর নিয়েই কথা বলে যাবো আমার এই পুরা পোস্ট জুড়ে। শুধু উত্তরই নয়, কিভাবে আপনি ব্লগ থেকে আয় করতে পারবেন সেই পথ আমি ধরিয়ে দিয়ে তারপর শেষ করবো।

 

কিন্তু তার আগে কিছু কথা। আমার এই পোস্ট প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে হবে। তা না হলে আধো আধো শিখে কিছুই করতে পারবেন না। আমি আমার প্রায় সকল পোস্টেই প্রথমে একটু বেশি কথা বলে ফেলি। এর প্রধান কারণ হল, আমি যখন যে বিষয়ে লিখি সেই বিষয় সম্পর্কে না জানা মানুষগুলো যাতে বেসিক ধারণাটা নিতে পারে।

 

আর যাদের বেসিক ধারণা আছে তারা যেন কাজ শুরুর আগে যে জিনিসগুলো ত্যাগ করতে হবে এবং যে জিনিস গুলো অবশ্যই করতে হবে সেটা জানতে পারে। কারণ অনেকেই কোন কাজ শুরু করতে যেয়েই হোঁচট খেয়ে ফিরে আসে। তারা যেন এই হোঁচটা না খায় সেই কারণেই আমার এই বেসিক কথা বলা। মনে রাখবেন, অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী।

 

কাউকে নৌকা চালাতে দেখলেই যে আপনি নৌকা চালাতে পারবেন সেটা ভাবা একদমই বোকামি। কারণ নৌকা চালানোর জন্য অনেক বিষয় খেয়াল রাখতে হয়। এই যেমন প্রথমেই আপনাকে সাঁতার জানতে হবে। তা না হলে কোন কারণে নৌকা ডুবে গেলেই আপনি শেষ।

 

কিন্তু বেশির ভাগ সময়েই এই জিনিস গুলো কেউ মাথায় রাখে না। ফলে নৌকা চলানো শিখতে যেয়ে অনেক বড় বিপদের মুখে পড়তে হয়। তাই আমি কোন বিষয়ে যখন পোস্ট করি তখন সেই টপিক্সের বেসিক ধারণা আগে থেকেই দিয়ে রাখি। যাতে করে কেউ অকৃতকার্য হয়ে ফিরে না আসে।

 

এবার আসি মূল টপিক্সে। কিভাবে ব্লগ থেকে ইনকাম করা যায়?

 

আপনারা অনেকেই জানেন বিষয়টি। আবার অনেকেই জানেন না। কিন্তু আমি আজ সবাইকেই আমার এই পোস্টের মাধ্যমে ব্লগ থেকে ইনকামের গোপন রহস্য বলে যাবো।

 

ব্লগ থেকে ইনকাম করতে কি কি লাগবে?

প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে যে, ব্লগ থেকে ইনকামের জন্য আপনার কি কি দরকার হবে। কারণ ঢাল নেই তলোয়ার নেই বাবু রাম সর্দার হয়ে কোন লাভ নেই।

 

ব্লগিং এর জন্য আপনার প্রথমেই একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থাকতে হবে। সাথে থাকতে হবে নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ। এর পর আপনার নিজের একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে। ব্যস, এই টুকু থাকলেই আপাতত হবে।

 

কম্পিউটার বা ল্যাপটপের বিষয় বুঝলেন। কিন্তু ওয়েবসাইট কিভাবে বানাবেন সেইটাই ভাববছে তো? এর জন্য কোন টেনশন নিবেন না। আমি এখানেই শর্টকাটে কিছু বলে যাবো। কিন্তু ওয়েবসাইট কিভাবে বানাবেন এবং এর জন্য কি কি পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে তা আমার সাইটের অন্য পোস্টে পুরা ডিটেলস পাবেন।

 

ওয়েবসাইট হল একটি জমির মত। জমিতে যেমন চাষ করে টাকা ইনকাম করা যায় ঠিক তেমনই হচ্ছে ওয়েবসাইট। যা আপনি আপনার ইচ্ছামত তৈরি করে ইনকাম করতে পারবেন।

 

আপনি যে কাজের উপর দক্ষ সেই কাজের উপর ডিপেন্ড করে ওয়েবসাইটটি বানাতে হবে। আর ওয়েবসাইট বানানোর জন্য ডোমেইন ও হোস্টিং দরকার হবে। যার মূল্য খুবই সামান্য। আপনি চাইলে বেশি দামের ডোমেইন বা হোস্টিংও কিনতে পারেন। (ডোমেইন ও হোস্টিং কি এবং কিভাবে কিনতে হয় তা আমার সাইটের অন্য পোস্টে পাবেন)।

 

কারা করতে পারবে এই কাজঃ

চাকুরীজীবী থেকে শুরু করে ছাত্র বা বেকার সবাই এই কাজ করতে পারবেন। কারণ এই কাজের জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট কোন জায়গায় যেতে হবে না। ঘরে বসেই কাজ করতে পারবেন। তবে এই কাজের জন্য আপনাকে নিজের মত করে সময় দিতে হবে। তাই বেকার লোকগুলোই এই কাজে বেশি সময় দিতে পারবে।

 

অন্যদিকে চাকুরীজীবীরা নিজেদের সময় থেকে একটু সময় বের করে কাজ করতে পারবেন।

 

এই কাজ করার জন্য যেমন দক্ষতা থাকতে হবেঃ

আপনার তেমন কোন দক্ষতা না থাকলেও হবে। কিন্তু আপনাকে এর জন্য অধিক সময় দিতে হবে। কারণ যে যতবেশি সময় দিতে পারবে সে তত তাড়াতাড়ি সাফল্যের দিকে পৌছে যাবে। তবে যে দক্ষতা আপনার থাকতে হবে সেটা হলঃ আপনার ধৈর্য্য, সময় ও নিষ্ঠা।

 

কারণ ব্লগিং করে আয় করা সহজ হলেও সেই ইনকাম পর্যন্ত পৌছাতে অনেক ধৈর্য্যের পাশাপাশি সময় ও নিষ্ঠার প্রয়োজন। একটি ওয়েবসাইট ইনকামের জন্য তখনই প্রস্তুত হবে যখন ওয়েবসাইটের ভিজিটর অনেক বেশি হবে। আর চাহিদামত ভিজিটর পাওয়া সহজ বিষয় নয়। আপনাকে এর জন্য অনেক সময় নিয়ে কনটেন্ট ক্রিয়েট করতে হবে।

 

নিষ্ঠার সাথে নিরলস ভাবে কাজ করে যেতে হবে। একটি ওয়েবসাইট থেকে কাঙ্ক্ষিত ইনকাম পেতে গেলে আপনার মিনিমাম এক বছর সময় লাগতে পারে। তবে অনেকে এর আগেও সফলতা পায়। কত সময় লাগবে সেটা মূলত ডিপেন্ড করে আপনার কাজের মানের উপর।

 

ব্লগ থেকে যেভাবে ইনকাম করবেনঃ

প্রথমত, আপনার উদ্দেশ্য ঠিক করুন। আপনার ওয়েবসাইট কিসের উপর ভিত্তি করে বানাবেন সেটা ঠিক করতে হবে। এই যেমন আপনি যদি টেকনোলজি কোন বিষয় নিয়ে কাজ করতে চান তাহলে সেই রকম একটি ওয়েবসাইট বানাবেন। যদি কোন নিউজ লিখে পাবলিশ করতে চান তাহলে নিউজ টাইপের সাইট বানাবেন।

 

কারণ আপনি এক সাইটে ভিন্ন ভিন্ন বিষয় আলোচনা করলে পাঠক আপনার সাইটটি পছন্দ করবে না। সবাই চায় যে কোন একটা বিষয়ের উপর পুরা সাইটটা বানানো হোক। যাতে করে ঐ বিষয় সম্পর্কে জানতে অন্য কোথাও যাওয়া না লাগে।

 

দ্বিতীয়ত, সাইটিতে নির্ধারণ করা বিষয়ের উপর কনটেন্ট লেখা। আপনাকে বেশি বেশি করে ঐ বিষয়ে কনটেন্ট লিখে পাবলিশ করতে হবে। আর কনটেন্টের মান হতে হবে মানানসই। কারণ পাঠক যদি আপনার পাবলিশ করা পোস্ট থেকে কিছু শিখতে না পারে, কিছু জানতে না পারে তাহলে পাঠক আর দ্বিতীয়বার আপনার সাইটে আসবে না।

 

তাই আপনার কনটেন্ট যদি ভাল হয় তাহলে ঐ পাঠক বার বারই আপনার কনটেন্ট গুলো পড়ার পাশাপাশি আপনার সাইটটি ফলো করবে। আর নতুন নতুন কনটেন্টের জন্য অপেক্ষা করবে। আপনি বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট লিখতে পারেন। এই যেমনঃ আপনার সাইটটি যদি টেকনোলজিক্যাল বিষয়ে হয়, তাহলে কিভাবে অনলাইনে আয় করা যায়, কিভাবে একটি ব্লগ পেজ খোলা যায়, কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়, কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল খোলা যায় ইত্যাদি বিষয়ে আপনি লিখতে পারেন।

 

তবে শর্ত হল, কোন এডাল্ট কনটেন্ট বা কোন ধরনের এডাল্ট জাতীয় ছবি নিয়ে কাজ করা যাবে না। আর অন্যের কনটেন্ট চুরি করে নিজের সাইটে পাবলিশ করা যাবে না। তাহলে আপনার সাইটটি থেকে ইনকাম করতে পারবেন না। সাইটটি ব্যান হয়ে যেতে পারে।

 

তৃতীয়ত, যখন দেখবেন যে আপনার সাইটের ভিজিটর অনেক হচ্ছে তখন সাইটি মনিটাইজ করে নিতে হবে। কারণ মনিটাইজ অন না করলে ইনকাম হবে না। অন্যদিকে ভাল মানের কনটেন্ট এবং ভিজিটর বেশি না হলে মনিটাইজও অন হবে না। মনিটাইজ বিভিন্ন ভাবে করা যায়। আবার মনিটাইজ অন না করেও আপনি ইনকাম করতে পারবেন। তবে যে কোন একটা মাধ্যমে মনিটাইজ অন করলে বেশি ইনকাম হবে।

 

নিচে কিছু ইনকামের পদ্ধতি উল্লেখ করলাম। যার মাধ্যমে আপনি ব্লগ থেকে আয় করতে পারবেন।

 

অ্যাডসেন্স

অ্যাডসেন্স হল গুগলের একটি অ্যাড নেটওয়ার্ক। অ্যাডসেন্স মূলত বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন শো করে থাকে। আপনি যদি আপনার সাইটটি অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে মনিটাইজেশন করেন তাহলে অ্যাডসেন্স আপনার সাইটে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন দিবে। আপনার সাইটের ভিজিটররা আপনার সাইটে যখন প্রবেশ করবে তখন ঐ সকল বিজ্ঞাপন দেখবে। আর যখন কেউ ঐ বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে তখন আপনার ইনকাম হবে।

 

যত বেশি বিজ্ঞাপনে ক্লিক হবে তত বেশিই ইনকাম হবে। যে ইনকামের টাকা অ্যাডসেন্সের অ্যাকাউন্টে জমা হবে। পরে আপনি সেই টাকা অনলাইন সাপোর্টেড কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ট্রান্সফার করে নিজের পকেটে আনতে পারবেন। এটা হল অ্যাডসেন্স পদ্ধতি।

 

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে বোঝানোর আর কিছু মনে হয় বাকি নেই। কারণ আমার সাইটে এই সম্পর্কে অনেক পোস্টই আছে। যা আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা দেবে। তবুও হালকা একটু বলতে চাই। কারণ হালকা একটু না বললে অনেকেই এই টপিক্সটি বুঝতে পারবে না।

 

অনলাইনে প্রচুর পরিমাণে কাজ পাওয়া যায়। কিন্তু সেই সকল কাজগুলো পাওয়ার জন্য যে সকল মার্কেটপ্লেস আছে সেই খানে নিজের নামে ও দক্ষতা বিশিষ্ট্য একটি অ্যাকাউন্ট খুলে কাজ করতে হয়। এই কাজ নিজের ইচ্ছামত যখন তখন করা যায় এবং কারোর অধিনে করা লাগে না বলেই একে ফ্রিল্যান্সিং বলা হয়।

 

এই রকম অনেক মার্কেটপ্লেস আছে। তবে অনেকেই এই সকল মার্কেটপ্লেসে কাজ পায় না। কারণ এখানে অ্যাকাউন্ট খুলেই কাজ পাওয়া যায় না। নিজেকে প্রমাণ করতে হয়। কিন্তু আপনি যদি আপনার সাইটে আপনার ফ্রিল্যান্সিং কাজ সম্পর্কে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন তাহলে আপনার ঐ বিজ্ঞাপন থেকেই আপনার অনেক কাজ আসবে।

 

যেহেতু আপনার সাইটে অনেক ভিজিটর আছে। সেহেতু তাদের মধ্যে অনেকেই আপনাকে বিভিন্ন কাজের অফার করবে। নিজে কি কাজ করেন এবং সেই কাজের ডিটেলস গুলো এখানে তুলে ধরলে অনেক ভিজিটরই আপনাকে আপনার সাইট থেকে হায়ার করবে তাদের কাজের জন্য।

 

ফলে এতে করে আপনার ফ্রিল্যান্সিং এ কাজের জন্য বসে থাকতে হবে না। খুব সহজেই আপনার সাইট থেকে আপনি কাজ পাবেন।

 

সাবস্ক্রিপশন

সাবস্ক্রিপশন হল, কোন জিনিস টাকার বিনিময়ে কিনে নেওয়া। আপনি আপনার সাইটে এমন কিছু টপিক্স রাখবেন যেগুলো ভিজিটররা শুধু মাত্র সাবস্ক্রিপশন চার্জ দিয়ে দেখতে পারবে। বিনা টাকায় দেখা যাবে না। তবে এই ধরনের কাজ করতে হলে ঐ টপক্স গুলো অনেক হেল্পফুল করে তৈরি করতে হবে।

 

তা না হলে কেউ টাকার বিনিময়ে এগুলো কিনবে না। মনে করুন, মোবাইল ফোন দিয়ে কিভাবে ইনকাম করা যায় এই রকম একটি পোস্ট পাবলিশ করলেন আপনার সাইটে। কিন্তু মূল বিষয়টা গোপন রাখলেন। গোপনীয় সেই বিষয়টি আপনি প্রিমিয়াম করে রাখলেন। ফলে সবাই আপনার ঐ পোস্টের বিষয় সম্পর্কে জানবে। কিন্তু কিভাবে ইনকাম করতে হবে সেটা জানতে পারবে না। যেটা জানার জন্য ভিজিটররা আপনাকে টাকা দিয়ে সেই প্রিমিয়াম অপশনটা চালু করবে। তারপর তারা মূল জিনিসটা জানতে পারবে।

 

এভাবে আপনি অনেক টাকা সাইট থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

অনেক অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানি আছে, যাদের বিজ্ঞাপন আপনি আপনার সাইটে প্রচার করে হিউজ পরিমাণ ইনকাম করতে পারবেন। শুধু অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান নয়। অফলাইন ভিত্তিকও অনেক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন আপনি প্রচার করতে পারেন আপনার সাইটে।

 

অনলাইন কেনা বেচার যে সকল সাইট আছে। সেখানে একটি অ্যাকাউন্ট খুলে আপনার সাইটে প্রচারের জন্য কিছু পণের বিজ্ঞাপনের লিংক তৈরি করুন। যে লিংক অটোমেটিক ভাবেই তৈরি হবে। এবার আপনার সাইটের বিভিন্ন ফাকা জায়গায় সেই বিজ্ঞাপন সেট করে দিন।

 

আপনার সাইট ভিজিট করতে এসে অনেকেই এই বিজ্ঞপন দেখে কিছু কিনতে চাইবে। যদি আপনার ঐ লিংক থেকে কোন ভিজিটর পণ্য কেনে তাহলে আপনি কমিশন পাবেন। বুঝতেই পারছেন এতে কেমন ইনকাম। যত বেশি আপনার রেফারেন্সের মাধ্যমে সেল হবে তত বেশি আপনার ইনকাম হবে।

 

স্পন্সরড পোস্ট

যখন আপনার সাইটে অনেক বেশি ভিজিট আসতে থাকবে তখন আস্তে আস্তে আপনার সাইটটি সবারই নজরে আসবে। ফলে অনেক অনলাইন প্রতিষ্ঠান নিজে থেকেই আপনাকে নক করবে তাদের পোস্ট আপনার সাইটে প্রচারের জন্য। যার জন্য ঐ প্রতিষ্ঠান আপনাকে টাকা দিবে।

 

এছাড়া অনেক কোম্পনিই আপনার সাইটে তাদের সম্পর্কে কিছু লিখতে বলবে। যার ফলে আপনাকে তারা একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করবে। একে বলে স্পন্সরড পোস্ট। এভাবে আপনি হিউজ পরিমাণ আয় করতে পারবেন আপনার সাইট থেকে।

 

অ্যাড স্পেস বিক্রি
আপনি একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন যে, আপনার সাইটের উপরে বা নিচে অনেক খালি জায়গা থাকে। এছাড়া সাইটের দুই পাশেও অনেক খালি জায়গা থাকে। আবার আপনার পাবলিশকৃত পোস্টের মাঝেও অনেক জায়গা থাকে।

 

এই জায়গা গুলো আপনি বিভিন্ন কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দিতে পারেন। মনে প্রশ্ন জাগছে যে, এগুলো কিভাবে বিক্রি করবো আর কোম্পানির লোকজন এই জায়গা কিনে কি করবে?

 

টেলিভিশনে যখন কোন অনুষ্ঠান হয়, সেই অনুষ্ঠানের ফাকে ফাকে দেখবেন বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেখাচ্ছে। মূলত ঐ সকল কোম্পানি টেলিভিশন কর্তৃপক্ষকে টাকা দেয় তাদের বিজ্ঞাপন গুলো প্রচারের জন্য।

 

কেন বিজ্ঞাপন প্রচার করে টাকা দেয়? যেহেতু ঐ অনুষ্ঠান সারা দেশের প্রচুর লোক দেখছে, তাই ঐ সকল লোকগুলো অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিজ্ঞাপনও দেখতে পাচ্ছে। ফলে তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রচার বাড়ছে।

 

যদি আপনার সাইটটির ভিজিটর বেশি হয় তাহলে ঐ ফাকা জায়গা গুলো আপনার কাছ থেকে কিনে নেবে বিভিন্ন বিজ্ঞপন দাতারা। এর বিনিময়ে আপনাকে অনেক টাকা পে করবে। কারণ আপনার সাইটে যখন ভিজিটর আসবে তখন ঐ সকল ফাকা স্থানের বিজ্ঞপন গুলোও আপনার ভিজিটররা দেখতে পাবে। ফলে তাদের প্রতিষ্ঠান বা পণ্যের প্রচার বৃদ্ধি পাবে।

 

এই রকম আরো অনেক উপায় আছে ব্লগ থেকে ইনকামের জন্য। আপনাকে আগে শুধু আপনার সাইটটি ফ্যামাস করতে হবে। যাতে করে অনেক বেশি ভিজিট প্রতিদিন আপনার সাইটে আসে।

 

আজ এই পর্যন্তই। আশা করি কিছুটা হলেও আমি বোঝাতে সক্ষম হয়েছি। তারপরেও যদি কোন প্রশ্ন থাকে অবশ্যই আমাকে জানাবেন। আমি সব সময়ই প্রস্তুত আছি আপনাদের জন্য।

 

অন্যদিন অন্য কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হবো আমার এই সাইটে। সবাইকে ধন্যবাদ।

Leave a Reply