বাড়তি আয়ের উপায় ~ ৬ টি উপায়ে আপনিও বাড়তি আয় করতে পারেন

আপনি কি আপনার কর্মস্থল থেকে পাওয়া বেতন নিয়ে সন্তুষ্ট নন? আপনি কি বাড়তি কোন আয়ের উপায় খুঁজে বেড়াচ্ছেন?

 

তাহলে আমিই সেই উপায় বলে দেবো। এই উপায়ে আপনি আপনার নিজের সাধ্যমত বাড়তি আয় করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে বেশি কষ্ট বা সময় ব্যয় করতে হবে না।

 

আমি কিছু বাড়তি আয়ের উৎস নিচে আলোচনা করলাম।

 

ফেসবুক

ফেসবুকের নাম শুনে হয়তো অবাক হচ্ছেন। ভাবছেন আমি বোধ হয় পাগল হয়ে গেছি। কিন্তু না ভাই। ঠিকই বলছি আমি। এখন ফেসবুক থেকেই বিপুল পরিমাণে টাকা আপনি ইনকাম করতে পারবেন অনায়াসে। এখন ফেসবুক শুধু বন্ধুত্বের মধ্যে সীমাবন্ধ নেই। এটা এখন আপনার বাড়তি আয়ের উৎসও হয়ে উঠতে পারে যদি আপনি চান। আপনার যদি কোন ফেসবুক পেজ থাকে আর সেই পেজ যদি হয় একটু জনপ্রিয়, তাহলেই আপনি এই পেজ এ ভিডিও আপলোড করে পেতে পারেন বিপুল পরিমাণ টাকা।

 

ইউটিউব

ভিডিও তৈরি করে বাড়তি আয়ের আরেকটি উপায় হল ইউটিউবশুধু আপনার একটা ক্যামেরা থাকলেই হচ্ছে। আপনি আপনার মনের মত করে ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও শুট করে সেটা ইউটিউবে আপলোড দিলেই হবে। আর কোন কাজ করা লাগবে না। ওখান থেকেই টাকা আয় হতে থাকবে। তবে আপনার যদি ক্যামেরা না থাকে, তবে আপনি ভাল মানের একটা স্মার্ট মোবাইল ফোনের ক্যামেরা দিয়েও শুট করতে পারেন। আমাদের দেশে সবচেয়ে প্রথম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরকে আবশ্যই আমরা সবাই চিনি। সে যখন ইউটিউবিং শুরু করেছিল তখন সে একটা সাধারণ মোবাইল দিয়েই ভিডিও বানাতো। যে মোবাইলের ক্যামেরা ছিল মাত্র ৫ মেগাপিক্সেল।

 

ব্লগিং

এখন কথা বলবো ব্লগিং নিয়ে। আমাদের আসে পাশে অনেক ঘটনা ঘটে থাকে। হতে পারে সেটা আপনাদের এলাকার সুনাম বয়ে আনা কোন ঘটনা, অথবা হতে পারে সেটা এলাকার কোন জঘন্যতম ঘটনা। কিন্তু ঘটনা যাই হোক না কেন, আপনি সেটা যদি আপনার ব্লগে লিখে প্রকাশ করতে পারেন তাহলেই আপনি ব্যপক টাকা অনকাম করতে পারবেন।

 

অ্যাডসেন্স

উপরে যে তিনটি উপায় নিয়ে আমি আলোচনা করলাম সেগুলোর প্রাণ বলা যায় অ্যাডসেন্সকে। কারণ এই অ্যাডসেন্স ছাড়া উপরের একটা উপায়েও আপনি ইনকাম করতে পারবেন না। একদমই পারবেন না সেটা নয়, তবে খুবই কষ্ট হবে অ্যাডডেন্স ছাড়া ইনকাম করতে। এই অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে আপনাকে সকল সাইট বা মাধ্যম গুলো মনিটাইজ করে নিতে হবে। তাহলে এই অ্যাডসেন্স আপনার মনিটাইজড সাইট গুলো বা ভিডিও গুলো থেকে টাকা এনে আপনাকে দেবে। তাহলে নিশ্চয়ই বুঝেছেন যে, অ্যাডসেন্সের কি কাজ। অ্যাডসেন্স শুধু উপরের তিনটি মাধ্যমই না। আরো অনেক অনেক মাধ্যমে বাড়তি আয়ের ব্যবস্থা করে দিতে পারে। আপনি যদি গেম তৈরি করতে পারেন, তাহলে সেখানেও টাকা ইনকামের জন্য আপনাকে অ্যাডসেন্সের স্বরণাপন্য হতে হবে।

 

ফ্রিল্যান্সিং

প্রতিটা মানুষের মাঝে কোন না কোন বাড়তি মেধা থাকে। যা সে খুব ভাল করেই করতে পারে। হতে পারে সেটা গ্রাফিক্স ডিজাইন বা কনটেন্ট রাইটার বা ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট। তবে তার এই মেধা যদি এই ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে ব্যয় করতে পারে তাহলে সে হয়ে উঠতে পারে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক। ফ্রিল্যান্সিং বাড়তি আয়ের জন্য খুবই উপযুক্ত একটা প্লাটফর্ম। এখানে আপনি লক্ষ লক্ষ মানুষদের সাথে কম্পিটিশনের মাধ্যমে নিজেকে চেনাতে পারলে আপনার টাকার কোন অভাব হবে না।

 

ই-কমার্স

বাড়তি আয়ের একটা গুরুত্বপূর্ণ পথ হল ই-কমার্স। আপনি আপনার সকল পণ্য ই-কমার্সের মাধ্যমে সারাদেশের মানুষের কাছে পৌছে দিতে পারেন ঘরে বসেই। আর ঘরে বসেই আপনার পণ্য আপনি সারাদেশের মানুষের কাছে সেল করতে পারেন। এতে যেমন আপনার পণ্যের সেল বৃদ্ধি পাবে তেমন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুনামও বাড়বে যদি আপনি ভাল সার্ভিস দিতে পারেন।

 

ঘরে বসে আয় করার উপায়
ছাত্র অবস্থায় আয় করার উপায়
চাকুরীর পাশাপাশি আয় করার উপায়

 

এছাড়া আরো অনেক বাড়তি আয়ের উপায় আছে। আরো উপায় জানতে এবং আরো বিস্তারিত জানতে হলে আমাদের ব্লগের অন্যান্য পোস্টগুলি দেখুন।

Leave a Reply