পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যাপক আয় করুন এই ২১ উপায়ে!

আপনাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা ভাবছেন যে পড়াশোনার পাশাপাশি কি করা যায়! হ্যা, পড়াশোনার পাশাপাশি আয় করা সম্ভব এবং অনেকেই তা করছে।

 

আজ আমি ছাত্র অবস্থায় টাকা আয় করার অভিনব কিছু উপায় দেখাবো। চাইলে আপনিও এর যেকোনো এক বা একাধিক উপায়ে টাকা আয় করা শুরু করতে পারেন।

 

পড়ালেখার পাশাপাশি আয় করার ২১ উপায়!

আমার দেখানো পদ্ধতিগুলোর কিছু সাময়িক সময়ের জন্য আবার এমনও কিছু কাজ দেখাবো যা আপনি শিক্ষাজীবন শেষ করার পরও চালিয়ে যেতে পারেন অর্থাৎ সুন্দর একটা পেশা হিসেবে নিতে পারেন।

 

তো চলুন জেনে নেওয়া যাক কি সেই উপায়গুলি যার মাধ্যমে আপনি একজন ছাত্র হিসেবে আয় শুরু করতে পারেন।

 

১. টিউশনি করে আয়

ছাত্র অবস্থায় আয় করার যে প্রথম চিন্তাটি মাথায় আসে তা হলো টিউশনি করা। আমিও টিউশনি করিয়ে এক সময় অনেক টাকা আয় করতাম।

 

কিছু পদ্ধতি এপলাই করে খুব সহজে স্টুডেন্ট ম্যানেজ করা যায়।

 

আর টিউশনি যে শুধুমাত্র টাকা আয়ের জন্যই করবেন তা কিন্তু নয়, বরং এটা আপনাকে অনেক আনন্দও দিতে পারে।

 

কিছু কিছু বাবা-মায়ের সন্তান আছে যারা টিউশনি করাটাকে অনেকটাই লজ্জার বিষয় মনে করে এই ভেবে যে আমার বাবার কি কম আছে বা আমার কি কোনো অভাব আছে যে টিউশনি করবো।

 

এটি আসলে আমাদের দেশের নোংরা মানসিকতার পরিচয় ছাড়া আর কিছুই না। মানুষ কি বলবে, মানুষ কি ভাববে এই ভেবে যে আমরা কত ভালো কাজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে আনি তা বলে শেষ করা যাবে না।

 

তো আপনি যদি কোনো সাবজেক্ট এ পারদর্শী হন, তবে অন্যদেরকেও তা শেখাতে পারেন। দেখবেন আপনার ও আপনার শিক্ষার্থী উভয়েই উপকৃত হচ্ছ।

 

কিভাবে টিউশনি পেতে পারেন তা এই পোস্টে দেখিয়েছি

 

২. কোচিং

ছাত্রদের জন্য ব্যবসা হিসেবে কোচিং অসাধারণ একটি মাধ্যম হতে পারে।

 

যদি বাসায় বাসায় গিয়ে পড়ানোকে অপছন্দ করেন তবে আপনি একটি কোচিং খুলতে পারেন। কিছু মার্কেটিং টেকনিক এপলাই করে একটি কোচিংকে ভালো লাভজনক অবস্থানে নিয়ে যাওয়া যায়। তবে একটি কোচিং শুরু করতে কিছু ইনভেস্টমেন্ট এর দরকার হয় যার এবিলিটি সকল শিক্ষার্থীর নাও থাকতে পারে।

 

এক্ষেত্রে অন্য কোনো কোচিং এ যেয়েও আপনি ক্লাস নিতে পারেন।

 

বর্তমানে আপনে চাইলে অনলাইনেও জুম বা অন্যান্য ভিডিও কনফারেন্সিং এপের সাহায্যে কোচিং করাতে পারেন।

 

৩. ফ্রিল্যান্সিং

পড়াশোনার পাশাপাশি আউটসোর্সিং আয়ের একটি ভালো মাধ্যম হতে পারে। আর আপনি যদি একটু ঘরকুনো টাইপের মানুষ হন তবে তো কথাই নেই।

 

যদিও আমাদের দেশে ফ্রিল্যান্সিংকে আউটসোর্সিং বলে বোঝানো হয়, কিন্তু আসলে এক্ষেত্রে সঠিক শব্দটি হলো ফ্রিল্যান্সিং। আর যে আপনাকে দিয়ে কাজটি করাবে সে হলো আউটসোর্সিং করছে।

 

যাই হোক ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে আপনি একটি ভালো আয়ের উৎস তৈরী করতে পারেন কারণ অসংখ্যা ফ্রিল্যান্সিং কাজ রয়েছে যার জন্য দক্ষ ফ্রিল্যান্সারের প্রয়োজন হয়।

 

জানুনঃ

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবেন তার পদ্ধতি

 

পড়ালেখার পাশাপাশি আয়

৪. ব্লগিং (এডসেন্স)

ছাত্র জীবনে আয় ব্লগিং করেও করা যায়, তবে এর জন্য চাই ডেডিকেশন।

 

হ্যা, ব্লগিং থেকে আয় হতে কিছুটা সময় লাগে, কিন্তু একবার আয় শুরু হলে আপনার আর অন্য কোনো কাজ নাও করা লাগতে পারে কারণ ব্লগিং থেকে আয় ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে!

 

ব্লগিং এ যে শুধুমাত্র এডসেন্স থেকে আয় করা যায় তা নয়, বরং আরো বিভিন্নভাবে এ থেকে আয় করা সম্ভব যার মধ্যে এফিলিয়েট মার্কেটিং অন্যতম। এছাড়াও স্পন্সরড পোস্ট এর মাধ্যমে ভালো আয় করা যায়।

 

আগে শুধুমাত্র ইংলিশ ভাষায় ব্লগিং করে আয় করা গেলেও বর্তমানে বাংলাতেই ব্লগিং করে ভালো আয় করা যায়। তাই আর দেরি কেন? যদি লেখালেখি করতে ভালো লাগে এবং পছন্দের কোন বিষয় থেকে থাকে তাহলে শুরু করে দিতে পারেন ব্লগিং।

 

৫. এফিলিয়েট মার্কেটিং

এফিলিয়েট মার্কেটিং করেও আপনি আপনার পড়াশুনার পাশাপাশি আয় করতে পারেন। এফিলিয়েট মার্কেটিং হল কোন পণ্য কমিশনের ভিত্তিতে প্রচার করা। যদি কেউ ওই পণ্য কেনে তাহলে আপনি নির্দিষ্ট একটা কমিশন পাবেন। এফিলিয়েট মার্কেটিং যেহেতু ঘরে বসেই অনলাইনে করা যায় তাই ডিজিটাল মার্কেটিং ভালোভাবে আয়ত্ত করে তা এপ্লাই করতে পারলে এক্ষেত্রে ভালো ফল পাওয়া যায়।

 

অনেকেই এফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে আজ স্বাবলম্বী।

 

জেনে রাখা ভালো!: এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন করবেন?

 

৬. ইউটিউবিং

এখন তো জানেনই যে বাংলাদেশে অনেকেই ইউটিউবে ভিডিও পাবলিশ করে অনেক আয় করছে!

 

আপনার যে বিষয়ে ঝোঁক আছে তার ওপর ভিডিও বানিয়ে তা আপনার ইউটুব চ্যানেলে পাবলিশ করতে পারেন। নিয়মিত মূল্যবান কনটেন্ট বানাতে থাকলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আপনার চ্যানেলটিকে মনিটাইজ করতে পারবেন আর তখন গুগল থেকে নিয়মিত রেভিনিউ জেনারেট হতে থাকবে।

 

৭. হাতের কাজ

লেখাপড়ার পাশাপাশি ব্যবসা হিসেবে আপনার হাতের কাজও হতে পারে একটি অনন্য মাধ্যম! অনেকে অনেক কিছুই করে শখ হিসেবে এই যেমন নকশি কাঁথা সেলাই করা, বিভিন্ন জিনিস দিয়ে শোপিস বানানো, বিভিন্ন কুটির শিল্পের কাজ ইত্যাদি এবং এই শখ থেকেও অনেক আয় করা সম্ভব যদি তা সুন্দরভাবে বিপনন করা যায়।

 

পড়ুন! নিজেকে আর কত বেচবেন!

 

৮. ভার্সিটির টি-শার্ট অর্ডার

পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবসা করতে চাইলে আপনি আপনার ভার্সিটিতেই করতে পারেন! হ্যা, ভার্সিটিতে বিভিন্ন অকেশনে টি-শার্ট অর্ডার করা হয়।

 

আপনি এ ব্যাপারে একটু খোঁজ-খবর রেখে অর্ডারগুলো নিতে পারেন। এককালীন কিছু ভালো লাভ হয় এসব ব্যবসায়। বছরে বেশকিছু অকেশন থাকে আর প্রতিটি অকেশনেই কমবেশি টিশার্ট বানানো হয় তাই আপনি যদি সুন্দরভাবে এসবের সাপ্লাই দিতে পারেন তাহলে নিয়মিত কাজ পাবার সম্ভাবনা থাকে। শুধু যে আপনার ভার্সিটির টিশার্ট সাপ্লাই দেবেন তা কিন্তু নয়, বরং অন্যান্য ভার্সিটিতেও এ ব্যাপারে ট্রাই করতে পারেন।

 

৯. ফটোগ্রাফি

ফোনে ছবি তোলে না এমন লোকের সংখ্যা এখন নেহায়েত নেই বললেই চলে। অনেক সাইটে ফটো আপলোড করে টাকা আয় করা যায় আর আপনার যদি প্রফেশনাল ফটোগ্রাফির দিকে মনোযোগ থাকে, তবে একটি DSLR ক্যামেরা ম্যানেজ করে ফটোশুট করতে থাকুন।

 

বিভিন্ন বিয়ে বাড়িতে যেয়ে ফ্রি ছবি তুলে দিতে পারেন। দেখবেন অনেক কানেকশন হয়ে যাচ্ছে ও টাকা আয়ের পথ ও তৈরী হয়ে যাচ্ছে!

 

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে যদিও এ পেশাটিকে অনেকে সহজভাবে নেবে না তারপরও একটি সাধারণ কাজের মাধ্যম হিসেবে কাজটিকে এই লিস্টে যুক্ত করলাম।

 

১০. ফেইসবুক

ফেইসবুক কিন্তু শুধু হাই, হ্যালো করবার জন্য নয় যদিও অধিকাংশ মানুষ এটাই করে থাকে!

 

চাইলে আপনি ফেসবুকের ওপর ভিত্তিকরে একটি ব্যবসা দাঁড় করাতে পারেন।

 

আপনার ব্যবসার জন্য একটি ফেইসবুক পেইজ তৈরী করে তাতে গ্রাহক আনতে থাকুন ও তাদের কাছে আপনার প্রোডাক্ট তুলে ধরুন।

 

এছাড়া ফেসবুকে বড় গ্রুপ তৈরী করেও বিভিন্নভাবে আয় করা যায়।

 

১১. রেস্টুরেন্টে বা হোটেলে কাজ

ছাত্রজীবনে পার্ট টাইম চাকরি করেও আয় করার সুযোগ রয়েছে! চাইলে আপনি কোনো রেস্টুরেন্টে ক্যাশিয়ার বা ওয়েটার হিসেবে কাজ করতে পারেন। অনেকেই এ কাজটিকে ছোট করে দেখতে পারে, তবে মনে রাখবেন যে কোন কাজই ছোট নয়।

 

এছাড়া হোটেলে বিভিন্ন কাজেও যোগ দিতে পারেন কারণ বাংলাদেশে ট্যুরিজম একটি বড় ব্যবসায়িক ক্ষেত্র হিসেবে অনেক আগে থেকেই চিহ্নিত হয়ে আছে।

 

১২. ওয়ার্কশপ

কোনো বিষয়ে আপনার ভালো দখল থাকলে তা মানুষকে ওয়ার্কশপের মাধ্যমেও শেখাতে পারেন। একটি নির্দিষ্ট এন্ট্রি ফী এর বিনিময়ে শুরু করে দিন আপনার ওয়ার্কশপ। অনেকেই সাড়া দিতে পারে।

 

১৩. লাইব্রেরি

বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, ভার্সিটিতে দক্ষ লাইব্রেরিয়ান এর দরকার হয়। আপনি কিন্তু এই কাজটির জন্য কিছু প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারেন। একজন লাইব্রেরিয়ান হতে গেলেও কিন্তু আজকাল বেশকিছু জিনিস জানতে হয় তাই চাইলে এর ওপর একটি কোর্সও করে নিতে পারেন।

 

১৪. লোকাল মার্কেটিং

লোকাল মার্কেটিং এ কাজ পাওয়াটা অনেকটাই সহজ, কিন্তু এর জন্য ভালো পরিশ্রম করতে হয়। তবে কিছুটা অভিজ্ঞতা ও টাকা অর্জনের জন্য তা করা যেতে পারে, তাই নয় কি?

 

হ্যা, বিভিন্ন কোম্পানি লোকাল মার্কেটিং এর জন্য নিয়মিত লোক নিয়োগ করে এবং আপনিও হতে পারেন তাদের কাঙ্খিত একজন লোকাল মার্কেটার।

 

১৫. ডে-কেয়ারিং

আধুনিক এই বিশ্বে ব্যস্ত বাবা-মা উভয়ের বাইরে কাজের ফলে বাচ্চাদের লালন-পালনের জন্য ডে-কেয়ার এর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে।

 

এমন একটি প্রতিষ্ঠানেও আপনি পার্ট-টাইম কাজ শুরু করে আয় করতে পারেন। বাচ্চাদের সাথে সময়ও কাটবে আবার মাস শেষে একটি নির্দিষ্ট অংকের টাকাও পকেটে আসবে।

 

১৬. নিউসপেপার

বিভিন্ন নিউসপেপার এ নানা কাজের জন্য এই যেমন নিউজ রাইটার, নিউজ রিপোর্টার ইত্যাদির জন্য লোকের প্রয়োজন হয় এবং আপনি এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন।

 

১৭. টেলিভিশন

এখন প্রতিনিয়ত নতুন নতুন টিভি চ্যানেল তাদের সম্প্রচার শুরু করছে আর একারণে তাদের প্রচুর জনবলের প্রয়োজন হচ্ছে। আপনিও একটু ট্রাই করে দেখতে পারেন যে আপনার কোনো কাজের অপর্চুনিটি সেখানে আছে কিনা!

 

১৮. সেলস পারসন

আজকাল অনেক দোকানে বা সুপার শপে অনেক সেলস পারসন দরকার হয়। আপনিও এসব প্রতিষ্ঠানে আপনার সেলস এবিলিটি কাজে লাগিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন।

 

কাস্টমারের সাথে সরাসরি সেলস এর মাধ্যমে আপনি অনেক কিছু শিখতে পারবেন যা আপনাকে পরবর্তীতে অনেক এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। আপনার আশেপাশে তাকালেই দেখবেন যে বিভিন্ন মোবাইল ফোনের দোকানে অসংখ্যা বিক্রয় প্রতিনিধি কাজ করছে।

 

১৯. কলসেন্টার

বিভিন্ন কলসেন্টার এ কাজ করেও আপনি আয় করতে পারেন। আপনার উচ্চারণ ও বাচনভঙ্গি ভালো হলে এসব কাজ পাওয়া অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।

 

২০. ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট

দেশের আনাচে-কানাচে নানা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি বিভিন্ন ব্র্যান্ড প্রোমোশনের কাজে নিয়োজিত।

 

এসব প্রতিষ্ঠানে কাজের মাধ্যমে আপনি অনেক কিছু শিখতেও পারবেন, আবার আয়ও করতে পারবেন।

 

২১. বিক্রয়.কম

ছাত্র অবস্থায় ব্যবসা করার জন্য বিক্রয়.কম হতে পারে আপনার অন্যতম হাতিয়ার!

 

হ্যা, বিক্রয়.কম এ একটি সেলার একাউন্ট ওপেন করে আপনার পছন্দের আইটেম বিক্রি করতে পারেন।

 

যখন কেউ অর্ডার করবে, তখন কোনো হোলসেল মার্কেটে গিয়ে সেই প্রোডাক্টটি কিনবেন এবং তারপর তা ডেলিভার করতে পারবেন।

 

এভাবে আপনার আগেভাগেই কোনো বড় ইনভেস্টমেন্ট ও দরকার হবে না।

 

পরিশেষে!

টাকা আয় করা এমন একটি কৌশল যা থেকে অনেক কিছু শেখার আছে এবং এই আয় করা আপনার পড়াশুনার পাশাপাশিই করা উচিৎ কারণ তখন পড়ালেখার গুরুত্ব বোঝা যায় এবং প্রাক্টিক্যাল লাইফে তার প্রয়োগ ঘটানো যায়।

 

উন্নত দেশগুলোর শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবতা নির্ভর আর তাই তাদের দেশ থেকে বিভিন্ন উদ্যোক্তা সৃষ্টি হচ্ছে কারণ তারা তাদের কাজ শুরু করে সেই ছাত্রজীবনে।

 

তারা ভুল করতে করতে অনেক কিছুই শেখে যা তাদের অনেক অভিজ্ঞ করে তোলে সেই ছেলেবেলা থেকেই ফলে কর্মজীবনে অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও বড় ডিসিশনও নেওয়া অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।

 

গুরুত্বপূর্ণ! এই ২৬ টি চরম ব্যবসায়িক ভুল করলে আপনার লোকসান কেউ ঠেকাতে পারবেনা!

 

তো কোনো চিন্তা না করে আপনার পছন্দের কাজটি শুরু করে দিন আজ থেকেই তবে খেয়াল রাখবেন যেন আপনার পড়ালেখার কোন ক্ষতি না হয়। সুন্দরভাবে পড়াশুনাও চালিয়ে যান আবার সে সাথে আয়ও করতে থাকুন। নিজের খরচ নিজেই চালাতে পারবেন আবার বাবা-মা, বন্ধু-বান্ধব, আত্নীয়-স্বজনকেও সাহায্য করতে পারবেন।

 

শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরকেও আয়ের এই উপায়গুলি সম্পর্কে জানিয়ে দিন আর আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন!

Leave a Reply