নিউ বিজনেস আইডিয়া: ৭ টি বিজিনেস আইডিয়া পান এই পোস্ট থেকে

যারা নতুন বিজনেস করার কথা ভাবছেন তাদের জন্য আমার এই সামান্য প্রচেষ্টা। আসুন আমি কিছু নতুন বিজনেস আইডিয়া দেই। যা আপনাকে প্রচুর টাকা ইনকামের পাশাপাশি সময় ও কষ্টের হাত বাঁচাবে।

 

১. ই-কমার্স

একঘেয়েমী কাজ করতে না চাইলে, আপনি ভিন্ন কিছু ট্রাই করে দেখতে পারেন। যা আপনার কষ্ট কমিয়ে দিয়ে বেশি টাকা ইনকামের পথ দেখাবে। যার একটি উপায় হল ই-কমার্স। আপনি কোন প্রোডাক্ট অনলাইনে সেল করলে সেটা ই-কমার্সের কাজ বলা হয়। এখানে আপনার প্রোডাক্ট গুলো অনলাইনেই সরাসরি ক্রেতাদের কাছে পৌছে দিতে পারবেন।

যার জন্য আপনার কোন কষ্ট করতে হবে না বা বেশি সময় ব্যয় হবে না। নিউ বিজনেসের মধ্যে এটা এখন খুবই জনপ্রিয়।

 

২. ফ্রিল্যান্সিং

আমাদের অনেকেরই পৃথক কোন দক্ষতা বা মেধা থাকে। এই মেধা কাজে লাগাতে পারলেই আপনার এই নিউ বিজনেসের মাধ্যমে অফুরন্ত টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং একটা মার্কেট প্লেস। এখানে হরেক রকমের কাজ পাওয়া যায়। আপনাকে আপনার মেধা হিসাবে কাজ বেছে নিতে হবে।

 

ভাল ডিজাইন করতে পারলে বা ভাল সাইট বানাতে পারলে বা ভাল গেম মেক করতে পারলে এই মার্কেট প্লেসে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন আপনি। তবে শুধু এই কাজ নয়, আরো অসংখ্য কাজ পাবেন এখানে। তবে এখানে মেধাবী লোকদের অভাব নেই। তাই তাদের সাথে কম্পিটিশন করে কাজ লুফে নিতে হবে।

 

তাহলেই আপনি সফল হতে পারবেন। আর আপনি যদি আপনার বায়ারদের কাজ করে খুশি করতে পারেন, তাহলে তারা আপনাকে আগে থেকেই কাজ দিয়ে রাখবে। তখন আর কাজের জন্য খোঁজাখুজি করতে হবে না।

 

৩. ইউটিউবিং

আপনি যদি হন ভাল ভিডিও এডিটর। তাহলে ইউটিউব আপনার জন্য একটা মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। নিউ বিজনেসের মধ্যে এটা অন্তর্ভুক্ত করা যায়। কারণ হরেক রকমের ভিডিও মেক করে সেটা ইউটিউবে আপনার চ্যানেলে ছাড়লে সেটা থেকে ব্যপক টাকা ইনকাম হবে আপনার। তবে এর জন্য আপনার চ্যানলটি মিনিটাইজড করে নিতে হবে।

 

৪. ব্লগিং

নিউ বিজনেসের মধ্যে আরেকটি পন্থা এটি। আপনার লেখা লেখির হাত যদি ভাল হয়, তাহলে নিজের ব্লগে লিখে আপনি হতে পারেন অনেক টাকার মালিক। আশে পাশের ঘটে যাওয়া কিছু বিষয়ও তুলে আনতে পারেন আপনার ব্লগে। যার মাধ্যমে আপনার প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি সারাদেশের মানুষ ঘটনা গুলো জানতে পারবে।

 

আর যত বেশি লোকজন আপনার এই লেখা পড়বে, তত বেশি ইনকাম হবে। তবে ব্লগ থেকে টাকা ইনকামের জন্যও সাইটটাকে মনিটাইজড করে নিতে হবে।

 

৫. অ্যাডসেন্স

উপরে অনেক জায়গায় মিনিটাইজেশনের কথা শুনেছেন। এই মনিটাইজেশন করার জন্য অ্যাডসেন্সের স্বরণাপন্য হতে হয়। অ্যাডসেন্স আপনার বিভিন্ন সাইটে অ্যাড শো এর মাধ্যমে আপনাকে টাকা দেয়। এছাড়া অ্যাডসেন্সের আরো কিছু ফেচারস আছে, যার মাধ্যমে আপনার নিউ বিজনেস সাজাতে পারেন। সেখান থেকে বিপুল অর্থ আনতে পারবেন আপনি।

 

৬. ওয়েবসাইট ফ্লিপিং

ওয়েবসাইট ফ্লিপিং এর মাধ্যমে স্বল্প ব্যয়ে অধিক আয় করতে পারবেন। নিউ বিজনেসের মধ্যে এটা আরেকটি উপায়। ওয়েবসাইট বিক্রিকে বলা হয় ওয়েবসাইট ফ্লিপিং। এর কাজ হল, আপনাকে নতুন নতুন ওয়েবসাইট খুলে সেগুলো বড় বড় বায়ারদের কাছে সেল করে দেওয়া।

 

তবে কথা হল, আপনার নতুন ওয়েবসাইটগুলোর ভিজিটর বাড়াতে হবে। আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর যত বেশি হবে আপনার সাইটের দাম তত বেশি হবে। তাছাড়া সাইটটি ভালমানের হতে হবে। বায়াদের কাছে যেন ভাল মনে হয় সেই দিকে খেয়াল রেখে সাইট বানাতে হবে।

 

৭. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

এই সময়ের তুমুল জনপ্রিয় একটি বিজিনেস হল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অনেকটা ই-কমার্সের মত কাজ হলেও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে অন্য জনের পণ্য সেল করতে হয়। আপনি অনলাইন প্লাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে অন্যের প্রোডাক্ট সেল করে দিতে পারলে পূর্ব নির্ধারিত একটা দাম পাবেন। যত সেল তত আয় হিসাবে আপনি মোটা অংকের টাকা ইনকাম করতে পারবেন এর মাধ্যমে।

 

বিজনেস যাই হোক না কেন, লেগে থাকুন, সফলতা আসবেই। শুভ কামনা থাকলো নতুন বিজনেস উদ্যোগক্তাদের জন্য।

Leave a Reply