টাকা আয় করতে চাই কিন্তু জানি না যে কিভাবে তা করা সম্ভব!

আপনি কি বেকার জীবন যাপন করছেন? টাকা আয়ের পথ খুজে বেড়াচ্ছেন? তাহলে নিচের লেখা পড়ুন। আমি আজ টাকা আয়ের পথ বলে দিব।

YouTube video

১. ইউটিউব

আমাদের দেশে এখন ইউটিউব খুবই পরিচিত একটা নাম। অনলাইনে ভিডিও দেখার একটা জনপ্রিয় মাধ্যম হল এই ইউটিউব। এখানে এমন কোন ভিডিও নেই যে পাওয়া যায় না, শুধু পর্ণোগ্রাফিগুলো বাদে।

 

টেকনোলজিক্যাল ভিডিও থেকে শুরু করে নাচ, গান, সিনেমা, কৌতুক সব ধরনের ভিডিও পাওয়া যায় এখানে। আপনি যদি আপনার ভিডিও এই ইউটিউবে আপলোড দিতে পারেন, তাহলে আপনি সেটা থেকে প্রচুর টাকা পাবেন।

 

এর জন্য আপনাকে ইউটিউব ডট কম এ যেয়ে অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করে নিতে হবে শুধু। তারপর নিজের মনের মত করে ভিডিও বানিয়ে ছেড়ে দিন আপনার চ্যানেলে। ব্যস কাজ শেষ। এই ভিডিও যত মানুষ দেখবে ততই আপনার টাকা ইনকাম হবে।

 

২. ফ্রিল্যান্সিং

টাকা আয়ের আরেকটি জনপ্রিয় প্লাটফর্ম হল ফ্রিল্যান্সিং। এখানে আপনি প্রচুর পরিমাণে কাজ পাবেন। শুধু আপনি কোন কাজটি পারেন সেটা অনুযায়ী কাজ খুজে নিতে হবে। এখানে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কনটেন্ট রাইটার, গেম মেকার, ওয়েব ডিজাইন, ভিডিও মেকার সব ধরনের কাজই পাওয়া যায়।

 

এই প্লাটফর্মে আপনার অ্যাকাউন্ট এমন ভাবে খুলতে হবে যেন একজন বায়ার আপনার প্রোফাইল দেখেই বুঝতে পারে আপনি কোন কাজে কতটুকু পারদর্শী। আপনি এই প্লাটফর্মে সফলভাবে কাজ করে যেতে পারলে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক হয়ে যাবেন অনায়াসে।

 

৩. ই-কমার্স

আপনি ঘরে বসে পণ্য বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন। সেটা যে কোন ধরনের পণ্য হলেই হল। পণ্য ঘরে বসে বিক্রি করে টাকা ইনকামের মাধ্যমকে ই-কমার্স বলে। আপনাকে শুধু বিভিন্ন স্যোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে আপনার পণ্য শেয়ার করে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। এভাবে আপনি পণ্য বিক্রি করে টাকা ইনকাম করতে পারেন।

 

৪. ব্লগিং

আপনি যদি ই-কমার্সের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে চান। তাহলে এই ব্লগিং আপনাকে ব্যপক সাহায্য করবে। আপনার পণ্যগুলোর ছবি ও দাম সহ পণ্যের ডিটেইলস ভাল করে সাজিয়ে পাবলিশ করতে পারবেন ব্লগে। আর আপনার ব্লগ আপনি শেয়ার করে একাধারে দুই দিক থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

 

কারণ ব্লগ থেকে আলাদাভাবে টাকা ইনকাম হয়। আপনার ব্লগে যত ভিজিটর আসবে ততই টাকা ইনকাম হবে। আবার আপনার ব্লগে ভিজিটর আসলে আপনার পণ্যও বিক্রি হবে, সেখান থেকেও টাকা ইনকাম হবে।

 

৫. ড্রপশিপিং

আপনার নিজের কোন ব্যবসা না থাকলে আপনি অন্য প্রতিষ্টানের মাধ্যমে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনি এই ড্রপশিপিং এর মাধ্যমে কোন প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রির জন্য কাস্টমার খুজে দিতে পারলে আপনি ঐ প্রতিষ্ঠান থেকে কমিশন পাবেন। অর্থাৎ আপনার কাজ হল কাস্টমার এনে দেওয়া সেলারদের কাছে। যত বেশি বায়ার আনতে পারবেন আপনি তত বেশি কমিশন পাবেন।

 

৬. ওয়েবসাইট ফ্লিপিং

ওয়েবসাইট তৈরি করে সেটা বেশি দামে বিক্রি করাকে ওয়েবসাইট ফ্লিপিং বলে। স্বল্প খরচে ওয়েবসাইট ডিজাইন করে সেটা গ্রোথ করতে পারলে আপনার ব্যয়কৃত খরচের থেকে অকল্পনীয় দামে ঐ ওয়েবসাইটটা বিক্রি করতে পারবেন। বেশি টাকা ইনকামের অনেকটা বড় মাধ্যম বলা হয় ওয়েবসাইট ফ্লিপিংকে।

 

৭. অ্যাডসেন্স

অ্যাডসেন্স একটা অ্যাড নেটওয়ার্ক। যার মালিক গুগল নিজেই। অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে কোন সাইট মনিটাইজ করে দিলে গুগল সেই সাইটে বিভিন্ন অ্যাড শো করাবে। যার থেকে আপনি পাবেন মোটা অংকের টাকা। আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিও থেকে টাকা ইনকামের জন্য অ্যাডসেন্সের সাথে জুড়ে দিতে হবে চ্যানেলটিকে। তাছাড়া আরো অনেক ভাবে এই অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায়।

 

টাকা ইনকামের পথ দেখিয়ে দিলাম। এখন নিজেই ঠিক করুন টাকা ইনকামের জন্য কোন উপায় আপনার জন্য ভাল।

 

বাড়তি আয়ের উপায় ~ ৬ টি উপায়ে আপনিও বাড়তি আয় করতে পারেন
ঘরে বসে আয় করার উপায়: অনেক কয়টি উপায় সম্পর্কে বলছি আজ
ছাত্র অবস্থায় আয়: ৮ টি অভাবনীয় পদ্ধতিতে আপনিও আয় করুন

Leave a Reply