ঘরে বসে আয় করার উপায়: অনেক কয়টি উপায় সম্পর্কে বলছি আজ

ঘরে বসে কে না আয় করতে চায়, কিন্তু সেই উপায় কয়জনের বা মাথায় আসে।

 

কেউ হয়তো চিন্তা করে করেই সময় নষ্ট করে ফেলছেন যে কিভাবে ঘরে বসে আয় করা যায়।

 

চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে ঘরে বসে আয় করা যায়।

 

ই-কমার্স

ঘরে বসে আয় করার একটা অভাবনীয় পন্থা হতে পারে ই-কমার্স। আপনি ই-কমার্সের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন যা আপনি করতে পারবেন ঘরের মধ্য থেকেই। শুধু আপনাকে বিভিন্ন কেনা বেচার অনলাইন প্লাটফর্মকে কাজে লাগাতে হবে, কাজে লাগাতে হবে স্যোসাল মিডিয়া গুলো।

 

এই সমস্ত সাইটে আপনার পণ্য বিক্রির বিজ্ঞাপন দিলে আপনার পণ্য বিক্রি হবে সারা দেশের মানুষের কাছে ঘরে বসেই।

 

ড্রপশিপিং

ড্রপশিপিংটা প্রায় ই-কমার্সের মত কাজ। ই-কমার্সের মাধ্যমে নিজের পণ্যগুলো সেল করতে হয়। আর ড্রপশিপিং এর মাধ্যমে আপনাকে শুধু মাত্র সেলারদের কাছে বায়ারদের পৌছে দিতে হবে (মানে বোঝাতে চাচ্ছি বায়ার ও সেলারের মধ্যে কানেকশন করে দিতে হবে)। ব্যস আপনার কাজ শেষ।

 

এভাবে আপনি যত বায়ার বা কাস্টমার সেলারদের কাছে পৌছে দেবেন ততই কমিশন পাবেন। এর জন্য বাইরে যাওয়া লাগবে না, আপনার এই কাজ করতে হবে স্যোসাল মিডিয়ার ও অন্যন্য অনলাইন কানেকশনের মাধ্যমে, যা ঘরে বসেই করতে পারবেন।

 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

ই-কমার্স ও ড্রপশিপিং এর মতই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। পার্থক্যটা হচ্ছে, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে অন্যের পণ্য আপনার মাধ্যমে সেল দিতে হয়। আপনি যদি কোন একটা প্রতিষ্ঠান বা অনলাইন কেনা বেচার কোন সাইটের সাথে ডিল করে তাদের পণ্য আপনি স্যোসাল মিডিয়ায় বা অন্য কোন উপায়ে বিক্রি করে দিতে পারেন তাহলে ঐ সকল প্রতিষ্ঠান বা অনলাইন কেনা বেচার সাইট আপনাকে বিক্রির উপর কমিশন দেবে। যা আপনি করতে পারবেন ঘরে বসেই।

 

ওয়েবসাইট ফ্লিপিং

অল্প খরচে একটা সাইট আপনি নিজে তৈরি করে সেটা ভাল করে সাজিয়ে পরিপূর্ণ করে তুলতে পারলেই আপনি বিপুল পরিমাণ আয় করতে পারবেন। একে বলে ওয়েবসাইট ফ্লিপিং। যখন আপনার তৈরি করা একটা সাইট খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠবে, তখন আপনার সাইটটি বানাতে যে খরচ হয়েছিল তার ৩৬ গুণ বা তার বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন। যা ঘরে বসেই করা যায়।

 

ব্লগিং

ঘরে বসে আয় করার অন্যতম উপায় হল ব্লগিং। অবসর টাইমে কাগজে কলমে না লিখে আপনার ব্লগে লেখা শুরু করুন। আপনার লেখা গুলো হয়ে উঠবে আপনার আয়ের উৎস। ঘরে বসে বসে শুধু আপনাকে বিভিন্ন বিষয়ের উপর লিখতে হবে আপনার সাইটে। আর যত লিখবেন তত আপনার ভিউয়ার আসবে, আর ততই আপনার ইনকাম বাড়বে।

 

ফ্লিল্যান্সিং

ফ্লিল্যান্সিং হল হিউজ পরিমাণ কাজের প্লাটফর্ম। এখানে আপনি হিউজ পরিমাণ কাজ পাবেন। আপনাকে শুধু এখানে একটা অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করে সেটা ক্লায়েন্টদের কাছে আকর্ষণীয় করে দাখিল করতে হবে। আপনার এর জন্য একটু কষ্ট করতে হবে। কারণ ঘরে বসে আয় কে না করতে চায়। প্রথমে কাজ পাওয়া যায় না তেমন। কারণ আপনার মত লক্ষ লক্ষ লোক এই সব প্লাটফর্মে টাকা ইনকামের জন্য বসে আছে। তবে এই লক্ষ লক্ষ লোকের মধ্যে আপনি যদি আপনার বেস্টটা দিয়ে ক্লায়েন্টদের খুশি করতে পারেন, তাহলে আপনি হবেন সেই লক্ষ লক্ষ লোকদের মাঝে অন্যতম একজন। তখন কাজ আর খুজে বেড়াতে হবে নাম, ক্লায়েন্টই আপনাকে আগে থেকেই কাজ দিয়ে রাখবে।

 

অ্যাডসেন্স

গুগল দ্বারা পরিচালিত অ্যাড নেটওয়ার্ককে বলে অ্যাডসেন্স। আপনার সাইট বা আপনার কোন ইউটিউব চ্যানেল এই গুগল অ্যাডসেন্স এর দ্বারা মনিটাইজ অর্থাৎ বিজ্ঞাপনের জন্য উপযুক্ত করে দিতে পারলেই আপনার ঘরে বসে অকল্পনীয় টাকা আসতে থাকবে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে।

 

আরো পড়ুন –
ছাত্র অবস্থায় আয় করার উপায়
চাকরির পাশাপাশি আয় করার উপায়
স্মার্ট বিজনেস আইডিয়া পাবার ৩ সময়

 

বেকার চলাফেরা না করে আপনি এই সকল উপায়ের মধ্যে আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ ট্রাই করে দেখুন, হয়ে যাতে পারেন আপনি লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক।

Leave a Comment